দরজার ওপারে কেউ আছে

Rahat

 


রাত তখন প্রায় ২টা।

চারপাশ এতটাই নিঃশব্দ যে নিজের নিঃশ্বাসের শব্দও অস্বস্তিকর লাগছিল।

রাহাত হঠাৎ ঘুম থেকে জেগে উঠলো।

কেন জেগে উঠলো, সেটা সে নিজেও বুঝতে পারলো না।

কিন্তু একটা অদ্ভুত অনুভূতি হচ্ছিল—

যেন কেউ তাকে দেখছে।

🚪 অদ্ভুত শব্দ

ঘরের ভেতর অন্ধকার।

মোবাইলটা হাতে নিয়ে সময় দেখলো—২:১৭।

ঠিক তখনই…

টক… টক… টক…

দরজায় কেউ নক করছে।

রাহাত স্থির হয়ে গেল।

এই সময়ে কে আসতে পারে?

সে ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়ালো।

পা দুটো যেন ভারী হয়ে গেছে।

আবার শব্দটা হলো—

টক… টক…

🌫️ দরজার সামনে

রাহাত দরজার কাছে গিয়ে দাঁড়ালো।

তার হাত কাঁপছে।

সে ধীরে ধীরে দরজার দিকে ঝুঁকে বললো—

“কে…?”

কোনো উত্তর নেই।

কিন্তু এবার দরজার ওপাশ থেকে খুব হালকা একটা নিঃশ্বাসের শব্দ শোনা গেল।

যেন কেউ খুব কাছে দাঁড়িয়ে আছে।

🕯️ দরজা খোলা

হঠাৎ করেই সাহস করে রাহাত দরজাটা খুলে ফেললো।

দরজার বাইরে কেউ নেই।

পুরো করিডোর ফাঁকা।

একটা হালকা বাতাস ভেতরে ঢুকে এল।

সবকিছু স্বাভাবিক।

কিন্তু…

কিছু একটা ঠিক লাগছে না।

👣 ফিরে তাকানো

রাহাত ধীরে ধীরে ঘরের ভেতরে ফিরে আসলো।

দরজা বন্ধ করে দিল।

তারপর ঘুরে দাঁড়াতেই—

সে স্থির হয়ে গেল।

ঘরের ভেতরে, বিছানার পাশে…

কেউ দাঁড়িয়ে আছে।

একটা অন্ধকার ছায়া।

মুখ দেখা যাচ্ছে না, কিন্তু চোখ দুটো যেন তার দিকেই তাকিয়ে আছে।

🧠 সত্যটা কী?

রাহাত চিৎকার করতে পারলো না।

শরীর যেন জমে গেছে।

ছায়াটা ধীরে ধীরে তার দিকে এগিয়ে আসতে লাগলো।

আর ঠিক তখনই—

রাহাত বুঝতে পারলো…

দরজার ওপাশে কেউ ছিল না।

যে নক করছিল… সে তো ভেতরেই ছিল।

🌑 শেষ কথা

পরদিন সকালে,

রাহাতকে তার ঘরে অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়।

সে বেঁচে ছিল,

কিন্তু তারপর থেকে আর কখনো ঠিকভাবে কথা বলেনি।

শুধু মাঝে মাঝে একটাই কথা বলত—

“দরজাটা কখনো খুলো না…

ওটা বাইরে থেকে আসে না…”

✨ উপসংহার

সব ভয় বাইরে থেকে আসে না।

কিছু ভয় আমাদের খুব কাছেই থাকে—

হয়তো আমাদের নিজের ভেতরেই। 🌑

XploRahat

Thank you for visiting our website. Stay connected with us!