আয়নার ভেতরের মানুষটা

Rahat

 


রাত তখন ১টা পেরিয়েছে।

ঘরের সব লাইট বন্ধ, শুধু বাথরুমের হালকা আলো জ্বলছে।

রাহাত ঘুমাতে পারছিল না।

অকারণে অস্থির লাগছিল।

সে উঠে দাঁড়ালো, ধীরে ধীরে বাথরুমে গেল।

🪞 অদ্ভুত অনুভূতি

আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের দিকে তাকালো।

সবকিছু স্বাভাবিক।

নিজের মুখ, নিজের চোখ… সব ঠিকই আছে।

কিন্তু হঠাৎ একটা অদ্ভুত অনুভূতি হলো—

যেন আয়নার ভেতরের মানুষটা একটু দেরিতে নড়ছে।

রাহাত ভ্রু কুঁচকালো।

সে হাত তুললো।

আয়নার ভেতরের প্রতিচ্ছবিও হাত তুললো—

কিন্তু… এক সেকেন্ড দেরিতে।

⏳ সময়ের ফাঁক

রাহাত এবার ইচ্ছা করে দ্রুত হাত নামালো।

আয়নার মানুষটা এবারও নামালো…

কিন্তু আবারও সেই সামান্য দেরি।

এটা সম্ভব না।

আয়না কখনো ভুল করে না।

আয়না শুধু দেখায়—নিজের সত্যিটা।

তাহলে এটা কী?

👁️ চোখের ভেতরের কিছু

রাহাত এবার নিজের চোখের দিকে তাকালো।

তার নিজের চোখে একটা ভয় দেখা যাচ্ছে।

কিন্তু আয়নার ভেতরের চোখে…

ভয় নেই।

বরং একটা হালকা হাসি।

😨 সত্যের শুরু

রাহাত পিছিয়ে যেতে চাইল।

কিন্তু তার পা যেন আটকে গেছে।

ঠিক তখনই—

আয়নার ভেতরের মানুষটা নিজে থেকেই নড়লো।

রাহাত স্থির দাঁড়িয়ে আছে,

কিন্তু আয়নার মানুষটা ধীরে ধীরে মাথা কাত করলো।

তারপর… হাসলো।

🚪 বেরিয়ে আসা

আয়নার ভেতরের হাতটা ধীরে ধীরে সামনে বাড়লো।

কাঁচের ভেতর থেকেই…

হাতটা বাইরে চলে এলো।

রাহাত চিৎকার করতে পারলো না।

সেই হাত তার কাঁধে স্পর্শ করলো।

বরফের মতো ঠান্ডা।

🌑 শেষ মুহূর্ত

এক সেকেন্ডের জন্য সবকিছু অন্ধকার হয়ে গেল।

পরদিন সকালে—

রাহাতের পরিবার তাকে বাথরুমে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখলো।

সে ঠিক আগের মতোই আছে।

চোখ, মুখ—সব একই।

কিন্তু একটা জিনিস বদলে গেছে—

সে আর কখনো আয়নার সামনে দাঁড়ায় না।

কারণ সে জানে…

আয়নার ভেতরে এখন অন্য কেউ থাকে।

✨ উপসংহার

সব প্রতিচ্ছবি আমাদের নিজের না।

কিছু প্রতিচ্ছবি শুধু অপেক্ষা করে—

কখন তারা জায়গা নিতে পারবে। 🪞🌑

XploRahat

Thank you for visiting our website. Stay connected with us!